শহর
- manisha chhetri

- Feb 24
- 2 min read

আধুনিকীকরণের প্রযুক্তিশীল যন্ত্রপাতি দ্বারা সুখ সুবিধা ভোগ করে বসবাস করার স্থানের নাম হল শহর।
উন্নত আধুনিক উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে,উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্মাণ করে বসবাস করার স্থানের নাম হল শহর।
বিশৃঙ্খল রীতিনীতি ও কুসংস্কার সম্পন্ন সমাজের বাঁধাবন্ধনের সীমাবদ্ধতা থেকে দূরে বসবাস করার স্থানের নাম হল শহর।
সৃজনশীল প্রতিভাবান মানুষদের সংঘর্ষকে একটি নতুন সুযোগ দেখিয়ে বসবাস করার স্থানের নাম হল শহর।
ছোট,বড় প্রতেকটি কাজ,চাকরি,ব্যবসাকে বড় সম্মান দেওয়ার উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান বসবাস করার স্থানের নাম হল শহর।
বিশেষ দক্ষতা ও সাহসের জোরে আত্মনির্ভর ভাবে নিজের পরিচয়ের আত্মপ্রকাশ করে বসবাস করার স্থানের নাম হল শহর।
শহরের দুর্ভাগ্য যে তার মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তিকরণের বিশেষ গুণ, বিশেষ মর্যাদা খ্যাতি সম্পন্ন মানুষ, ভবণ, রাস্তাঘাট, ঘর,গাড়ি,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,বাণিজ্য কেন্দ্র,গবেষণা কেন্দ্রের সাথে বিভিন্ন ধর্ম ও জাতির সাধারণ মানুষ একসাথে মিলেমিশে বসবাস করার স্থান হওয়া সত্ত্বেও শহরের নাম আর ঐশ্বর্যের সম্মানের তুলনা রাস্তার ওই ধূলার মতন সমান যার স্থায়ী কোনো অস্তিত্ব নেই।এর জন্য বিশেষ করে দায়ী শহরের এক একটি ছোট ছোট অসচেতনশীল ক্রিয়াকর্ম ও অনৈতিক কার্যকলাপের দোষ, যেটি শিক্ষিত উচ্চ শ্রেণীর মানুষরা দেখার পর ও অদেখা মতন প্রতিক্রিয়া করে চলে থাকে।যার ফলে শহর সভ্যতার মধ্যে সৃষ্টি হয় অসাম্য বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি যাকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে থাকে দেশের সরকার কিন্তু প্রত্যেকবার বিফল হয়ে থাকে।
শহরের অস্তিত্বকে বুঝতে হলে ওই উক্তিকে প্রথমে ভালোভাবে বুঝতে হবে যে উক্তিটি প্রত্যেকবার প্রত্যেক সাধারণ গ্রামের মানুষ নিজের পা শহরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে মনে করে থাকে। এই পৃথিবীতে 99% মানুষের চিন্তাধারা স্বার্থপর হয়ে খারাপ,কিন্তু তবুও এই পৃথিবী চলে আছে,নিজের ভালো গুণাবলীর মধ্য দিয়ে।অতীতেও চলে ছিল, আর বর্তমানেও চলে আছে, আর ভবিষ্যতেও চলবে।কারণ এই পৃথিবীতে 99% মানুষের চিন্তাধারা স্বার্থপর হয়ে খারাপ হতে পারে কিন্তু 1% মানুষ এখন ও ভালো আছে আর ওই 1% মানুষরা তাদের ভালো সমাজকল্যাণমূলক নিঃস্বার্থ চিন্তাধারার কাজের মধ্য দিয়ে এই পৃথিবী চালিয়ে যাচ্ছে।



Comments