অভিযোগ ও ঘড়ির সময়
- manisha chhetri

- Mar 18
- 2 min read

নিজের জীবন নিয়ে যদি অভিযোগ থাকে, তাহলে একবার ঘড়ির সময় দেখে নিন।
নিজের পরিশ্রম নিয়ে যদি অভিযোগ থাকে, তাহলে একবার ঘড়ির সময় দেখে নিন।
নিজের চাকরি নিয়ে যদি অভিযোগ থাকে ,তাহলে একবার ঘড়ির সময় দেখে নিন।
নিজের পরিবার নিয়ে যদি অভিযোগ থাকে, তাহলে একবার ঘড়ির সময় দেখে নিন।
"নিজের জীবনের এক একটি ছোট বড় অভিযোগকে দূর করার জন্য একবার ঘড়ির সময় দেখে নিন বলার পিছনে আসল বক্তব্য হচ্ছে, এই পৃথিবীতে আমরা যখন মানুষ হয়ে জন্মগ্রহণ করি তখন থেকেই আমাদের জীবন যুদ্ধের যাত্রা শুরু হয়ে যায়।এই জীবন যুদ্ধের যাত্রার পথের মধ্যে কারো অল্প সময়ের অভিযোগের পথ থাকে বা কারো লম্বা সময়ের অভিযোগের পথ থাকে। কিন্তু থাকে সবার জীবনের মধ্যেই কেউ ভাবে আমার বেশি কঠিন আছে আর ওর কম এবং সরল আছে।কিন্তু আসলে আমাদের জীবন সেইরকম নয় যেরকম আমরা ভেবে বেচে চলে থাকি।জীবন নিয়ে যদি অভিযোগ থাকে তাহলে সেই অভিযোগকে ছোট সহজ সরল উদাহরণের মাধ্যমে আজকে আমি পরিষ্কার ভাবে আপনাদের জীবনের অভিযোগের চিন্তাধারাকে দূর করার চেষ্টা করতে চাই, মানুষের জীবনের অভিযোগ আর ঘড়ির সময়ের সাথে তুলনা করে।হয়তো আপনারা কোনো দিন ভালোভাবে লক্ষ্য করেন নি যে, মানুষের জীবন আর ঘড়ি একি ধরণের ক্রিয়াচক্রের মধ্যে ঘুরে থাকে বলে। যেমন, একজন মানুষ ধনি হোক বা গরিব তাদের জীবনের ছোট,বড় একই ধরণের অভিযোগের সমস্যা লেগে থাকে। আর এই দিকে ঘড়ি সস্তা দামের হোক বা ব্যায়বহুল দামের তার মধ্যে ঘড়ির সময়ের কাঁটা একই সময় দেখিয়ে থাকে। আর তার সময় অনুযায়ী প্রত্যেকটি মানুষকে চালিয়ে থাকে,সেটি হাতের মধ্যে লাগানো ছোট ঘড়ি হোক বা দেওয়ালের মধ্যে টাঙানো বড় ঘড়ি,সস্তা হোক বা ব্যায়বহুল দামের।তফাৎ শুধু এইখানে আছে যে লোকজন তাকে কোন জায়গায় কোন দৃষ্টি দিয়ে দেখে চলে থাকি।
বর্তমান দিনের মানুষের জীবনের সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রধান ও সবার ঊর্ধ্বের নির্দেশকর্তা হলেন মানুষের জীবনের অভিযোগ এবং ঘড়ির সময়।যার নির্দেশের উপর চেয়ে বা না চেয়ে প্রত্যেকটি মানুষের জীবন চলে থাকে।জীবনের অভিযোগ এবং ঘড়ির সময় এই দুইটির নির্দেশে জীবনব্যাপী চলার জন্য বর্তমানের প্রত্যেকটি মানুষকে সজাগ ও সচেতন হয়ে বিচার বিবেচনা করে এদের নির্দেশকে ভালো দিক দিয়ে নিজের জীবনের সাথে নিতে হবে বলে আমার মনে হয়।"



Comments